সম্প্রতি তিন দেশ মিলে ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। এই চুক্তির প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইরানি এই আইনপ্রণেতা সৌদির সমালোচনা করেন।
ইব্রাহিম রেজায়ি তাঁর পোস্টে বলেন, সৌদি আরবকে বুঝতে হবে, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে কাগজে-কলমে প্রতিরক্ষা চুক্তি করলেই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। দীর্ঘ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একতরফাভাবে নির্ভর করেও তারা যেমন নিরাপত্তা পায়নি, এ ক্ষেত্রেও তা-ই হবে।
নিজেদের নীতিতে পরিবর্তন আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘নীতি পরিবর্তন করুন, তাহলে নিরাপত্তার জন্য অন্য দেশের কাছে ভিক্ষা চাইতে হবে না।’
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই তিন দেশ নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদারে ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ শক্তিশালী করা এবং তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব ক্ষেত্র বাড়ানোই এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য। চুক্তিটি তিন দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্ব, ইসলামি সংহতির বন্ধন এবং অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বৈঠকের সময় সৌদি আরবে এই চুক্তিটি সই হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট